অধ্যায় ১০ : প্যার্টান মেকিং

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
০১। প্যার্টান কী?
উত্তরঃ একটি পোশাকের প্রত্যেকটি অংশের অবিকল প্রতিরুপ সমতল শক্ত কাগজের দ্বারা কেটে তৈরি করাকে উক্ত পোশাকের প্যার্টান বলে।

০২। পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত প্যার্টানকে কয়টি ধাপে তৈরি করা হয়?
উত্তরঃ পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত প্যার্টানকে ২টি ধাপে তৈরি করা হয়ঃ
১) ব্লক প্যার্টান ও,
২) গার্মেন্টস প্যার্টান।

০৩। ওয়ার্কিং প্যাটার্ন বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ প্যাটার্ন-এর মূল ব্লকের সাথে বর্ধিত অংশ যোগ করে যে প্যাটার্ন পাওয়া যায় তাকে ওয়ার্কিং প্যাটার্ন বলে।

০৪। প্যাটার্ন কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ প্যাটার্ন দুই প্রকার। যথা-
১) স্যাম্পল প্যাটার্ন ও,
২) প্রোডাকশন প্যাটার্ন।

০৫। স্যাম্পল প্যাটার্ন কী?
উত্তরঃ স্যাম্পল তৈরির উদ্দেশ্যে ডিজাইনের বিভিন্ন অংশের ওয প্যাটার্ন তৈরি করা হয় তাই স্যম্পল প্যাটার্ন।

০৬। প্রোডাকশন প্যাটার্ন বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ পোশাক শিল্পে প্রচুর পরিমাণে পোশাক তৈরি উদ্দেশ্যে নমুনা প্যাটার্নের মত অথবা নমুনা প্যাটার্ন থেকে সামান্য পরিবর্তন করে যে প্যাটার্ন, নমুনা পোশাক ও তার মূল্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত হওয়ার পর পরই যে ফাইনাল প্যাটার্ন প্রোডাকশনের উদ্দেশ্যে তৈরি হয়, তাই প্রোডাকশন প্যাটার্ন।

০৭। ডিজাইন বা স্কেচ বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ পোশাক শিল্পে যে কোন ডিজাইনের পোশাক ব্যবসায়িক ভিত্তিতে উৎপাদন করার জন্য প্রত্যেকটি পোশাক ক্রেতার দ্বারা পরীক্ষিত ও নির্বাচিত করে নেবার প্রয়োজনে প্রত্যেকটি পোশাকের ছবি বা ছবির ধারণা কাগজের বা কম্পিউটারে একে নেয়া হয়, তাকেই ডিজাইন বা স্কেচ বলে।

০৮। একজন ডিজাইন সাধারণত কী কী উপায়ে নতুন ডিজাইন উদ্ভাবন করতে সক্ষম হন?
উত্তরঃ একজন ডিজাইনার নিম্নলিখিত তিনটি উপায়ে পোশাকের নতুন ডিজাইন উদ্ভাবন করতে পারেন। যথা-
১) নিজস্ব কোন চিন্তা-ভাবনা বা গবেষণার মাধ্যমে,
২) কোন ডিজাইন দেখে তা হুবহুব নকল করে,
৩) কোন ডিজানই দেখে উক্ত ডিজাইনের ওপর কিছু সংযোজন বা বিয়োজন করে।

০৯। একটি প্যান্টের ৪টি অংশের নাম লেখ?
উত্তরঃ
১) ফ্রন্ট পার্ট, ২) ব্যাক পার্ট, ৩) বেল্টলুপ, ৪) ওয়েস্ট বেল্ট।

১০। শার্টের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটি?
উত্তরঃ কালার।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
০১। প্যাটার্ন তৈরির উদ্দেশ্য লিখ?
উত্তরঃ প্যাটার্ন তৈরির উদ্দেশ্য নিম্নে দেওয়া হল-
১) প্যাটার্ন তৈরির মূল উদ্দেশ্য হল অল্প সময়ে অধিক কাপড় কাটা,
২) একই ডিজাইনের তৈরিকৃত প্যাটার্ন বহুদিন ব্যবহার করা,
৩) প্যাটার্ন দ্বারা সহজেই যে কোন পোশাকের ডিজাইন বহু বহুর সংরক্ষন সম্ভব এবং প্রয়োজনের মুহূর্তে অল্প সময়েই তৈরির জন্য ব্যবহার করা সম্ভ্যব।

০২। প্যাটার্ন তৈরির ধাপ সংক্ষেপে আলোচনা করা?
উত্তরঃ ডিজাইন থেকে প্রথমে প্রতিটি অংশ ভাগ করে নিতে হবে। অর্থাৎ নিদ্ধান্ত নিতে হবে, যে ডিজাইনের পোশাক তৈরি হবে তার জন্য ততটি অংশ টুকরায় প্যাটার্ন তৈরি করা হবে।
প্যাটার্ন তৈরির ধাপ নিম্নরুপ-
১) মডেল বা নির্ধারিত মহিলা/পুরুষের দেহের মাপ,
২) মূল ব্লক তৈরি (আর্দশ মাপ অনুযায়ী),
৩) নকশা বা ডিজাইন অঙ্কন,
৪) প্যাটার্ন বোর্ড তৈরি।

০৩। শার্টের প্রধান প্রধান অংশের নাম লেখ?
উত্তরঃ
১) কলার,
২) পকেট,
৩) আর্মহোল,
৪) টপ সেন্টার,
৫) স্লিভ,
৬) বাটন,
৭) বটম সেন্টার,
৮) কাফ,
৯) কালার ব্যান্ড,
১০) পকেট ফ্রাট,
১১) আপার ফ্রন্ট,
১২) লোয়ার ফ্রন্ট।

০৪। শার্টের জংশন কী? কেন বলা হয়?
উত্তরঃ শার্টের কালার অংশকে শার্টের জংশন বলে। শার্টের প্রায় সকল অংশই (প্রধান) কলার এর সাথে জোড়া লাগানো হয় তাই এক শার্টের জংশন বলা হয়।

০৫। মূল ব্লকের সাথে কী কী অ্যালাউন্স যোগ করা হয়?
উত্তরঃ
১) সেলাইয়ের জন্য অ্যালাউন্স,
২) কাপড়ের ডিজাইনের জন্য অ্যালাউন্স,
৩) বিভিন্ন ভাঁজের জন্য অ্যালাউন্স,
৪) ছাঁটাই বা কাটার জন্য অ্যালাউন্স ইত্যাদি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।