অধ্যায়ঃ ০১ : মিক্সিং ও ব্লেডিং সম্বন্ধে আলোচনা

অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
০১। মিক্সিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ একই প্রকারের বিভিন্ন মানের বা গ্রেডের আঁশের সংমিশ্রণকে মিক্সিং বলে। যাদের দৈর্ঘ্য, সূক্ষতা , পরিপক্বতা ইত্যাদি গুণগত দিক হতে বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যেমনঃ কটন+অপেক্ষাকৃত কম দৈর্ঘ্যর কটন=মিক্সিং।

০২। ব্লেডিং বলতে কী বুঝায়?
উত্তরঃ কাছাকাছি গুণাগুণ সম্পন্ন দুটি আলাদা ফাইবারের নির্দিষ্ট ওজন অনুপাতে মিশ্রণকে ব্লেডিং বলে। যেমনঃ ৬৫% কটন+৩৫% পলিয়েস্টার=ব্লেডিং।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তরঃ
০১। মিক্সিং ও ব্লেডিং-এর উদ্দেশ্য লিখ?
উত্তরঃ
১) অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের আঁশের সাথে ও উচ্চমানের আঁশ ব্যবহার করে অপচয় রোধ করা,
২) উৎপাদিত সুতার মূল্য যথাসম্ভব কমানো,
৩) অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের আঁশের সাথে উচ্চমানের আঁশ ব্যবহার করে অপচয় রোধ করা,
৪) প্রক্রিয়াগত কার্য়েল উন্নতি সাধন করা,
৫) নিম্নমানের আঁশ ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করে প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টি করা,
৬) উৎপাদিত সুতার টেকসই ক্ষমতা বৃদ্ধি করা,
৭) সর্বোপরি ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী সুতা তৈরিত সহায়তা করা।

০২। মিক্সিং ও ব্লেডিং করার পদ্ধতিগুলো কী কী?
উত্তরঃ
১) হ্যান্ড ব্লেডিং,
২) বিন ব্লেন্ডিং,
৩) ল্যাপ ব্লেন্ডিং,
৪) কার্ড ব্লেন্ডিং,
৫) ড্র ফ্রেম ব্লেন্ডিং,
৬) ম্যাসিভ ব্লেন্ডিং।

০৩। মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং প্রক্রিয়ায় বিবেচ্য বিষয়সমূহ কী কী?
উত্তরঃ মিক্সিং ও ব্লেন্ডিং করার সময় যে সকল বিষয়গুলোর উপর নক্ষ্য রাখতে হয় তা হলোঃ
১) আঁশের দৈর্ঘ্যর সমতা বা সাদৃশ্যতা,
২) আঁশের শক্তি,
৩) আঁশের পরিপক্বতা,
৪) আঁশের রঙের সমতা,
৫) আঁশের মধ্যে অবস্থিত ট্রাসের পরিমাণ,
৬) সমসুক্ষতা,
৭) বায়ুমন্ডলের অবস্থা,
৮) সমনমনীয়তা,
৯) দক্ষ শ্রমশক্তি,
১০) ভালো যন্ত্রপাতি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।